যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-যুবলীগের প্রবাসী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তার বিরুদ্ধে হত্যা, গ্রেপ্তার ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রে আসার কারণ জানতে চান তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকা ড. ইউনূসের দিকে এগিয়ে যান কয়েকজন ব্যক্তি। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তার উদ্দেশে বিভিন্ন মন্তব্য করতে থাকেন।
এ সময় কয়েকজনকে ‘ইউ আর আ টেররিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়।
ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি আমার দেশে হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছেন। কেন এখানে এসেছেন?’
তবে বিক্ষোভকারীদের এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আরও দেখা যায়, নিরাপত্তাকর্মী ও সহযোগীদের ঘেরাওয়ের মধ্যে ড. ইউনূস বিমানবন্দরের ভেতরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার আশপাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন।
একপর্যায়ে ড. ইউনূস এবং তার সঙ্গে থাকা লামিয়া মোর্শেদ বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান।
ঘটনায় জড়িত  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের প্রবাসী নেতাকর্মীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ছাড়া ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।