আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সেপ্টেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারকেরা কী অবস্থান নিয়েছেন, সেদিকেই এখন বাজারের নজর।

বুধবার স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪১৫০ দশমিক ২৩ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪০০১৭৭ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়ায়।

ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণী স্থানীয় সময় বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

নাগা.কমের বাজার বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক ওয়ালবম বলেন, স্বর্ণের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে স্বল্পমেয়াদে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা বেশি।

তার মতে, কার্যবিবরণী প্রকাশের পর ফেডের মুদ্রানীতির অবস্থান এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আরও সুদহার বাড়ানোর পক্ষে কতটা সমর্থন রয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এতে পরবর্তী সময়ে সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের হিসাব-নিকাশেও পরিবর্তন আসতে পারে।

ফ্রাঙ্ক ওয়ালবম আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদ, ডলারের মূল্য কিংবা তেলের দামে পরিবর্তন হলে স্বর্ণের বাজারেও তার দিকনির্দেশনামূলক প্রভাব পড়তে পারে।

সম্প্রতি ফেডের বিভিন্ন কর্মকর্তার বক্তব্যেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সান ফ্রান্সিসকো ফেডের প্রেসিডেন্ট মেরি ডেলি বলেছেন, মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর পেছনের কারণগুলো কমে আসছে নাকি স্থায়ী হচ্ছে, তার ওপর আরও সুদহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করবে।

অন্যদিকে কানসাস সিটি ফেডের প্রেসিডেন্ট জেফ শ্মিড বলেছেন, মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে সুদহার আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

সূত্র: রয়টার্স