প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Feb 13, 2026 ইং
কিশোরগঞ্জে দল বিলুপ্ত করা এহসানুল হেরেছেন বিএনপির বিদ্রোহীর কাছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনে দলীয় প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দলেরই বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান, যিনি স্বতন্ত্র হিসেবে হাঁস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, শেখ মজিবুর রহমান পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট।
মনোনয়ন ঘিরে দ্বন্দ্বের প্রভাব
সৈয়দ এহসানুল হুদা কিছুদিন আগেও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। তিনি তাঁর বাবার প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জাতীয় দল’-এর চেয়ারম্যান ছিলেন। এবারের নির্বাচনে প্রথমে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন এবং পরে ধানের শীষ প্রতীকের চূড়ান্ত মনোনয়ন পান।
অন্যদিকে শেখ মজিবুর রহমান দীর্ঘদিন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শুরুতে দলীয় মনোনয়ন পেলেও শেষ পর্যন্ত তাঁর নাম বাদ পড়ে। এতে স্থানীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শেখ মজিবুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এ কারণে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে তাঁর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শতাধিক নেতা–কর্মীকেও বহিষ্কার করা হয়। স্থানীয়দের মতে, এই গণবহিষ্কারই শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে জনসমর্থন জোরদার করে।
বহিষ্কৃত এক নেতা বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদই শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭