প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Feb 18, 2026 ইং
রমজানকে ঘিরে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, চাপে সাধারণ মানুষ

পবিত্র রমজান মাস সিয়াম সাধনার মাস। তবে এ মাস ঘিরে প্রতি বছরই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র দেখা যায়। বহির্বিশ্বে অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের দাম কমলেও বাংলাদেশে রোজা এলেই উল্টো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এতে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষ পড়েন ভোগান্তিতে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইফতারি ও নিত্যপণ্যের দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন চাহিদা বাড়ার কারণেই দাম বাড়ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ ও দুর্বল বাজার তদারকির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বাজারে খেজুরের দাম মানভেদে ৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি কাঁচামরিচ ও শসার দামও বেড়েছে। পেঁয়াজ ও রসুন কিনতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার টন ছোলা আমদানি হয়েছে, যেখানে রমজানে চাহিদা থাকে প্রায় ১ লাখ টন, যা গত বছরের তুলনায় ২৮ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। এ বছর চিনি আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি। মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার টন।
ভোজ্য তেল ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা, ছোলা ৯০ থেকে ১০৫ টাকা, চিনি ১০৫ টাকা এবং বেসন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও আমিষ পণ্যে বেড়েছে চাপ। ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৪০ টাকা এবং গরুর মাংস ৯০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা কেজিপ্রতি প্রায় ১০০ টাকা বেশি।
ক্রেতাদের দাবি, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও দাম বাড়া অযৌক্তিক। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার করে দ্রুত মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ।
/bd247/sompod
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭