প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Feb 23, 2026 ইং
গ্রিনল্যান্ডে ভাসমান হাসপাতাল পাঠাচ্ছে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে একটি ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর জন্য তিনি লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রির সঙ্গে কাজ করছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে রিপাবলিকান গভর্নরদের নৈশভোজের ঠিক আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পরিকল্পনার ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প জানান, গ্রিনল্যান্ডে উদ্দেশে ভাসমান হাসপাতালটি রওনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সেখানে অনেক অসুস্থ মানুষ রয়েছেন যাদের যথাযথভাবে দেখভাল করা হচ্ছে না।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ডেনমার্কের রাজা ফ্রেডেরিক এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রিনল্যান্ড সফর করেন। দ্বীপটি কেনার জন্য ট্রাম্পের আগ্রহের মুখে ভূখণ্ডটির সঙ্গে ঐক্য প্রদর্শনের প্রচেষ্টা হিসেবে এই সফর দেখা হচ্ছে।
এএফপি জানিয়েছে, ডেনিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোলস লুন্ড পউলসেন বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে কোনো বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের প্রয়োজন নেই।
ডেনিশ সম্প্রচারমাধ্যম ডিআরকে বলেন, গ্রিনল্যান্ডের জনগণ তাদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকেন। তারা হয় গ্রিনল্যান্ডেই চিকিৎসা নেন, অথবা বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ডেনমার্কে চিকিৎসা পান।
রয়টার্স জানায়, মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি হাসপাতাল জাহাজ রয়েছে-মার্সি ও কমফোর্ট। তবে কোনোটি পাঠানো হয়েছে তা জানা যায় নি।
প্রসঙ্গত, ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ৫৬ হাজার জনসংখ্যার 'বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ' প্রায় ৩০০ বছর ধরে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে।
নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি পরিচালনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ পালন করেন। আর বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি নেয় ডেনমার্ক সরকার।
দ্বিতীয় দফায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে ট্রাম্প গত এক বছরে একাধিক বার গ্রিনল্যান্ড দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ট্রাম্পের দাবি, ওই দ্বীপে রাশিয়া এবং চিনের প্রভাব কমাতেই আমেরিকার হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন।
এই আবহে গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭