প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Feb 26, 2026 ইং
শত্রু দেশের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে মার্কিন পাইলট গ্রেপ্তার

মার্কিন বিমানবাহিনীর এক সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার হয়েছেন। পূর্ব অনুমোদন ছাড়া চীনের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ এ বিষয়ে একটি ঘোষণা দিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন জেরাল্ড এডি ব্রাউন জুনিয়র (৬৫)। বিমানবাহিনীতে তার কল সাইন ছিল 'রানার'। সম্প্রতি তিনি চীন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে এসেছেন। বিচার বিভাগের বিবৃতি মতে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চীনে গিয়েছিলেন এডি ব্রাউন।
তার বিরুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছ থেকে নিবন্ধন না নিয়ে 'বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে যোগসাজশে চীনের বিমান বাহিনীর পাইলটদের সামরিক বিমান পরিচালনার প্রশিক্ষণ' দেওয়ার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর পরিচালক ক্যাশ পাটেল এক্সে পোস্ট করে বলেন, 'বড় খবর এফবিআই এবং অন্যান্য অংশীদাররা চীনের সামরিক বাহিনীর পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে মার্কিন বিমানবাহিনীর এক সাবেক পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে।'
১৯৯৬ সালে বিমানবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে মালামাল পরিবহনকারী উড়োজাহাজের পাইলট হিসেবে কাজ করেন তিনি।
পরবর্তীতে চুক্তির ভিত্তিতে এ-১০ ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ পরিচালনায় মার্কিন পাইলটদের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
অভিযোগ মতে, ২০২৩ সালের আগস্টে চীনা নাগরিক স্টিফেন সু বিন-এর সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে দরকষাকষি শুরু করেন এডি ব্রাউন। চীনের ওই নাগরিক ২০১৬ সাল থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অপর এক অভিযোগে চার বছর যুক্তরাষ্ট্রের আটক ছিলেন।
আলোচনার পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চীনে গিয়ে সেখানকার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন ব্রাউন।
এফবিআই-এর কাউন্টারইন্টেলিজেন্স ও এসপিওনাজ বিভাগের কর্মকর্তা রোমান রোঝাভস্কি বলেন, 'চীনা সরকার দেশটির সামরিক সক্ষমতার আধুনিকায়ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর কাজ অব্যাহত রেখেছে।'
তিনি আরও বলেন, 'এডি ব্রাউনকে) গ্রেপ্তারের খবরটি এফবিআই ও আমাদের অংশীদারদের প্রতি একটি সতর্কবার্তা।
যারা আমাদের শত্রুদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে, তাদেরকে থামাতে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কোনো ভাবে দেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে না পারে।'
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭