প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Mar 5, 2026 ইং
চবিতে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে ভিডিও ডিলেট করানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ইফতার মাহফিল শেষে শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় ভিডিও ধারণ করায় এক সাংবাদিককে হেনস্তা এবং তার মোবাইল ফোন থেকে ভিডিও ডিলেট করানোর অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে।
বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে মাগরিবের নামাজের পর এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার ও নামাজ শেষে সংগঠনের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
হেনস্তার শিকার সাংবাদিকের নাম মো. রিয়াদ ইসলাম। তিনি মর্নিং পোস্ট অনলাইন পোর্টালের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ও সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিনের অনুসারীদের মধ্যে এই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক রিয়াদ ইসলাম মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে ভিডিও ধারণ করছিলেন।
পরবর্তীতে তিনি নিচে নামলে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী তাকে ঘিরে ফেলেন এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে মসজিদের একপাশে নিয়ে গিয়ে ফোনের গ্যালারি এবং হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ডিলেট করে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক রিয়াদ ইসলাম জানান, হাতাহাতির ঘটনা ভিডিও করায় কয়েকজন তাকে ধরে ফেলে এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান তাকে একপাশে নিয়ে গিয়ে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ভিডিও মুছে দেন।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় তাকে বলা হয়—এখানে একমাত্র তুমিই আছো, কোনো নিউজ হলে দায় তোমাকেই নিতে হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন, কোনো সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ডিলেট করার অধিকার তার নেই এবং এমন কোনো ঘটনাও ঘটেনি।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭