প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 16, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Mar 14, 2026 ইং
ঈদযাত্রার প্রথম দিকে কমলাপুরে স্বস্তি, সময়মতো ছেড়েছে ট্রেন

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন নগরবাসী। শনিবার ছিল ট্রেনে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক অভিভাবক সন্তানদের নিয়ে আগেভাগেই গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন। তবে ঈদযাত্রা শুরু হলেও কমলাপুর রেলস্টেশনে ছিল না অতিরিক্ত ভিড়।
আজ বেলা ১১টা ২০ মিনিটে কমলাপুর স্টেশন থেকে সিলেটগামী জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস ছেড়ে যায়। এর ১০ মিনিট পর ছাড়ে তারাকান্দিগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস। দুটি ট্রেনই নির্ধারিত সময়েই যাত্রা শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ঘরমুখী যাত্রীরা।
স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে বেসরকারি চাকরিজীবী ফারুক মিয়া জানান, তাঁর অফিসে এখনো ছুটি না হলেও সন্তানদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় পরিবারকে আগেভাগে বাড়ি পাঠিয়ে দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, টিকিট কাটতে কোনো ঝামেলা হয়নি, ট্রেনও সময়মতো ছেড়ে গেছে।
অন্যদিকে, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসে একসঙ্গে গফরগাঁও যাচ্ছিলেন একটি মাদ্রাসার ১১ শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে বড় আহমদ আমিন জানান, প্রতি ছুটিতেই তাঁরা এভাবেই বাড়ি ফেরেন। এবারও টিকিট সংগ্রহে কোনো সমস্যা হয়নি।
সকাল ১০টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা যায়, সেখানে অতিরিক্ত চাপ নেই। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া পাঁচটি আন্তনগর ট্রেনই নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ত্যাগ করেছে। ট্রেন ছাড়ার ঠিক আগে যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে জড়ো হলেও ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার পরপরই আবার প্ল্যাটফর্ম ফাঁকা হয়ে যায়। ট্রেনগুলোতেও আসনের বাইরে অতিরিক্ত যাত্রী চোখে পড়েনি।
সম্ভাব্য ভোগান্তির কথা ভেবে আগেভাগেই স্টেশনে পৌঁছান ঢাকার একটি কলেজের শিক্ষার্থী হারুন অর রশিদ। মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা এই শিক্ষার্থী বলেন, ঈদের সময় সড়কে যানজটের আশঙ্কা থাকায় তিনি আগে থেকেই স্টেশনে এসেছেন। অনেক দিন পর বাড়ি যাচ্ছেন বলে তাঁর মধ্যেও বাড়তি উচ্ছ্বাস কাজ করছে।
ঘরমুখী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমলাপুর রেলস্টেশনে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের তৎপর উপস্থিতি দেখা গেছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭