প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 16, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Mar 16, 2026 ইং
ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে উৎসাহ দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ, দাবি প্রতিবেদনে

ইরানে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা টানা ১৭ দিনে গড়িয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপট ও নেপথ্য ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে কয়েকটি প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলা শুরুর সিদ্ধান্তে ইসরাইলের পাশাপাশি সৌদি আরবও পর্দার আড়ালে প্রভাব রেখেছিল।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও, ব্যক্তিগত আলোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান প্রশ্নে আরও কঠোর হতে উৎসাহ দিয়েছেন। আরও দাবি করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপে তিনি ইরানে সামরিক পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার সিদ্ধান্তের আগে সৌদি আরব ও ইসরাইল দুই পক্ষ থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ ছিল।
আপনার দেওয়া কপিতে উল্লিখিত আরেকটি দাবি হলো, নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পকে ইরানে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। আমি এ নির্দিষ্ট দাবিটি স্বাধীনভাবে সরাসরি যাচাই করতে পারিনি, তাই এটিকে প্রতিবেদনভিত্তিক দাবি হিসেবেই রাখা হচ্ছে। তবে সামগ্রিকভাবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান, ইরানে আরও হামলার হুমকি এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপট বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্রে উঠে এসেছে।
হোয়াইট হাউজ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সূত্রভিত্তিক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। একই সময়ে ইরান-সংঘাতের প্রভাব এখন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই; হরমুজ প্রণালি, তেল সরবরাহ, উপসাগরীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক কূটনীতিতেও এর বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া পড়েছে। রয়টার্স, এপি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে দেখা যাচ্ছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা, জ্বালানি অবকাঠামোর ঝুঁকি এবং নৌ-নিরাপত্তা এখন বড় উদ্বেগে পরিণত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে এই সংঘাতে সৌদি আরবের ভূমিকা নিয়ে যত বেশি তথ্য সামনে আসবে, ততই মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ স্পষ্ট হবে। বিশেষ করে যুদ্ধ শুরুর নেপথ্যে কারা কতটা প্রভাব রেখেছে, সেটি ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭