প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 16, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 15, 2026 ইং
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে চলমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি প্লাস (এজেডইসি) সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই ঋণ সহায়তা চান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংকট আমাদের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং দুর্বলতার বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলেছে। কোনও দেশ এককভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সমস্যা সমাধানে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রয়োজন।”
এ সময় তিনি সরকারের নেওয়া কিছু স্বল্পমেয়াদী ব্যবস্থা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তন, জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎসের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, ভোক্তা নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি রেশনিং ও খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ এবং মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা রোধে ‘ফুয়েল অ্যাপ’ এর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এই সংকটের মাত্রা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে, যা ১৯৮০ এর দশকের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির করে দিয়েছিল।”
তিনি দেশের সার্বিক কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দ্রুত এবং ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানরা এ সম্মেলনে অংশ নেন, যার মধ্যে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭