প্রিন্ট এর তারিখঃ May 11, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 11, 2026 ইং
ঈদে পোশাক কারখানায় ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রীচাপ কমাতে পোশাক কারখানাগুলোতে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিয়ে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় নিজেদের সক্ষমতার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এবার গার্মেন্টস ছুটির বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পোশাকশ্রমিকদের তিন থেকে চার দিনে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গতবার বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সঙ্গে তিন ধাপে গার্মেন্টস ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে শেষ দিনে চাপ তৈরি হয়। যেদিন গার্মেন্টস ছুটি হয়, সেদিন গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ লাখ যাত্রীর সমাগম হয়েছিল।
ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের চাপের কথা উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ছুটি পাওয়ার পর যাত্রীরা দ্রুত বাড়ি ফিরতে চান। এ সময় অনেকেই রাস্তার ওপর নেমে বাস, ট্রাক বা পিকআপ-যে যানবাহন পান, সেটিতেই ওঠার চেষ্টা করেন। যানবাহনের ফিটনেস আছে কি না, সেটিও অনেক সময় বিবেচনায় নেওয়া হয় না।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে যানজট তৈরি হয়। একই সঙ্গে ঝুঁকি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ে। ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে এবার ৬৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
এবারের ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, এবার বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টি হলে যানজটের সম্ভাবনা বাড়ে। সে সময় পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্যকে রাস্তায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। গতবার একদিনের ঝড়-বৃষ্টি ঈদযাত্রায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল।
তিনি আরও বলেন, পশুবাহী যানবাহনের কারণে এবার চ্যালেঞ্জ আরও বেশি হতে পারে। ইতোমধ্যে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে রাস্তার মাঝখান থেকে যাত্রী উঠলে ভাড়া তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়।
ফেরি পারাপার প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, বাস ফেরিতে ওঠার আগে সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে। এ জন্য ফেরিঘাটে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে। যাত্রী না নামিয়ে কোনো বাস ব্যারিকেড পার হতে পারবে না। এছাড়া সদরঘাটে বোট বা স্পিডবোট থেকে কেউ লঞ্চে উঠতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭