প্রিন্ট এর তারিখঃ May 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 12, 2026 ইং
৭৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে দুই জাহাজ

মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে মোট ৭৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই জ্বালানি তেল দেশের বর্তমান চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণে সহায়তা করবে।
সোমবার (১১ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে দৈনিক সাড়ে ১২ হাজার টন ডিজেল ব্যবহারের হিসাব অনুযায়ী, নতুন করে আসা এই চালান দিয়ে পাঁচ দিনেরও বেশি সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। খালাস শেষে দ্রুতই এসব জ্বালানি তেল দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বন্দর সূত্র জানায়, সোমবার ভোর ৪টার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ ‘টর্ম সিঙ্গাপুর’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে।
এর কয়েক ঘণ্টা পর বেলা ১১টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘সি র্যাপ্টর’ নামের আরেকটি জাহাজ বহির্নোঙরে পৌঁছায়।
জাহাজ দুটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানান, জাহাজ দুটি আসার পর লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাসের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এর আগেও চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেলের কয়েকটি চালান এসেছে। গত ৬ মে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘সেস ব্র্যাভ’ নামের একটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়। এ ছাড়া গত ৪ মে আরও একটি জাহাজ ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে বন্দরে আসে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, একের পর এক জ্বালানি তেলের চালান আসায় দেশের বাজারে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। বিশেষ করে শিল্প উৎপাদন ও পরিবহন খাতে এই ডিজেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে লাইটারিং বা ছোট জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে এসব জ্বালানি প্রধান ডিপোগুলোতে নেওয়া হবে। প্রাইড শিপিং লাইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭