প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 14, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 14, 2026 ইং
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আর এস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপপরিদর্শক আমির হামজা ফাহিমকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৪ জুন দিন ধার্য করেন।
আবেদনে পুলিশ দাবি করে, মামলার তদন্তে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতপরিচয় পলাতক আসামিদের সঙ্গে ফাহিমের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলাটি স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন বলে আবেদনে জানানো হয়।
মামলার অভিযোগে আর এস ফাহিম চৌধুরীকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও অর্থ জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মামলার এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতপরিচয় আসামিরা রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, সংহতি ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা, জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রমনা পার্কের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-সংলগ্ন অংশে একটি বৈঠক করেন।
এজাহারে আরও দাবি করা হয়, বৈঠকের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় রমনা থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা করেন।
এর আগে গত ২৯ মার্চ বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে ফাহিমকে আটক করে স্থানীয় জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। পরে তাকে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। সেখান থেকে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পরদিন ৩০ মার্চ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গুলশান থানায় করা একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭