প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 21, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 21, 2026 ইং
অনুদানের অর্থ ছাড়ে বিলম্ব, আটকে আছে একাধিক চলচ্চিত্রের কাজ

সরকারি অনুদানের অর্থ ছাড়ে দীর্ঘসূত্রতা ও অর্থসংকটের কারণে বেশ কয়েকটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্মাণকাজ আটকে আছে বলে অভিযোগ করেছেন নির্মাতারা। নির্ধারিত সময় পার হলেও দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ না পাওয়ায় একাধিক সিনেমার শুটিং বন্ধ হয়ে গেছে এবং নতুন পরিকল্পনাও স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
অনুদান পাওয়া নির্মাতাদের দাবি, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের অনুদানের প্রজ্ঞাপন জারির পর গত বছরের জুলাইয়ে অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে সেপ্টেম্বরে প্রথম কিস্তি হিসেবে মোট অর্থের মাত্র ২০ শতাংশ দেওয়া হয়। এরপর আর কোনো অর্থ ছাড় করা হয়নি।
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান পাওয়া পরিচালক গোলাম সোহরাব দোদুল গণমাধ্যমকে বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রথম কিস্তির অর্থ পাওয়ার পর চিত্রনাট্য, শুটিং পরিকল্পনা এবং শিল্পী-কলাকুশলীদের চুক্তিপত্র জমা দেওয়া হলেও দ্বিতীয় কিস্তির ৫০ শতাংশ অর্থ এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ‘চলচ্চিত্র বাছাই ও তত্ত্বাবধান’ কমিটির কাছে নির্মাতারা তাদের শুটিং পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। সে সময় দ্রুত অর্থ ছাড়ের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
নির্মাতাদের অভিযোগ, এ পরিস্থিতিতে একাধিক চলচ্চিত্রের শুটিং মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন করে শুটিং শুরু করাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে গল্পকার ও চিত্রনাট্যকারদের জন্য নির্ধারিত প্রণোদনার অর্থও এখনো দেওয়া হয়নি।
গোলাম সোহরাব দোদুল বলেন, নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করেই সব প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কিন্তু অর্থ না পাওয়ায় নির্মাণকাজ থমকে গেছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কারণে অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হলে বিষয়টি নির্মাতাদের স্পষ্টভাবে জানানো উচিত ছিল।
নির্মাতাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান ও বকেয়া অর্থ ছাড়ের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে আটকে থাকা চলচ্চিত্রগুলোর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা যায়।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭