প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 22, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 28, 2026 ইং
চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তনের আশা তথ্যমন্ত্রীর

চীনের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ছয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
রোববার সমঝোতা স্মারকগুলোর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে আমি চীন সরকারের সঙ্গে ছয়টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে দুই দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ে আমরা একমত হয়েছি।”
তিনি বলেন, গণমাধ্যম প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গবেষণায় চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়া খাতে নতুন গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।
গত বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট ছয়টি সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন জহির উদ্দিন স্বপন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ও দেশটির পার্লামেন্টের শীর্ষ পর্যায় থেকে বাংলাদেশ যে সম্মান ও গুরুত্ব পেয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
তার মতে, এই সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মর্যাদাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন অধ্যায় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম বিদেশ সফর। সফরকালে চীনের আন্তরিকতা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি দেশটির বন্ধুত্ব ও প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও বৈঠকে আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক গুণগতভাবে নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে।
গত ১২ জুন প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করেন। চীনের চার দিনের সফরের প্রথম দুই দিন তিনি দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন। পরে বেইজিংয়ে গিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে বৈঠক করেন।
সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর কয়েকজন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭