প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 22, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 9, 2026 ইং
খামেনির দাফন আজ মাশহাদে, প্রতিশোধের স্লোগানে উত্তাল জনতা

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মস্থান মাশহাদ শহরের শিয়া মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা ইমাম রেজার মাজারে তাঁকে সমাহিত করা হবে।
এর আগে ইরাক থেকে উড়োজাহাজে করে খামেনির মরদেহ মাশহাদে আনা হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন বলে ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়। পরে তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়। ওই হামলায় মোজতবা খামেনিও আহত হয়েছিলেন বলে জানা যায়।
খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মাশহাদের বিভিন্ন সড়কে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। মরদেহের কফিন আসার অপেক্ষায় থাকা অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রতিশোধের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীদের হাতে বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে স্লোগানও দেওয়া হয়।
এর আগে গত এক সপ্তাহে খামেনি ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের মরদেহ ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে নেওয়া হয়। তেহরান, কোম, নাজাফ ও কারবালায় অনুষ্ঠিত জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
এদিকে দীর্ঘদিন ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া আলী খামেনির মৃত্যুর পর দেশটি রাজনৈতিকভাবে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাঁর উত্তরাধিকার ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও ইরানের ভেতরে আলোচনা চলছে।
খামেনির মৃত্যুর পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তিনি কয়েকটি লিখিত বিবৃতি দিলেও এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়নি।
তেহরানের কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মোজতবা খামেনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁর জনসমক্ষে উপস্থিতি সীমিত রাখা হয়েছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭