প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 28, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 27, 2026 ইং
বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে পিপিপি ও জনসম্পৃক্ততায় জোর

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নে সম্ভাবনা, ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এসব বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাগুলোর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান প্রকল্প এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে প্রকল্প প্রণয়নের সময় এর সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ বিকাশের বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। প্রকল্পগুলোকে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে পরিকল্পনা করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।
চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বিবেচনায় রেখে প্রকল্প প্রণয়ন করতে হবে। সরাসরি সরকারি অর্থায়ন বা জিওবি ফান্ড ব্যবহারের পরিবর্তে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের মানুষ যেন পরিবর্তিত বাংলাদেশের সুফল পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭