প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jan 19, 2026 ইং
‘সংখ্যালঘু-সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়’

অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে,বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ঘটনাগুলোর অধিকাংশই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয় । পুলিশের সংরক্ষিত নথি ও তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
বলা হয়,২০২৫ সালে সংখ্যালঘু-সংশ্লিষ্ট মোট ৬৪৫টি ঘটনার তথ্য পুলিশের নথিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে এসব ঘটনার বেশিরভাগই ধর্মীয় বিদ্বেষ বা সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্য থেকে উদ্ভূত নয়; বরং সাধারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রমাণ ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টিতে সাম্প্রদায়িক উপাদানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বাকি ৫৭৪টি ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক নয় বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিহ্নিত ঘটনাগুলোর মধ্যে প্রধানত ধর্মীয় উপাসনালয় ও প্রতিমা ভাঙচুর বা অবমাননার মতো ঘটনা রয়েছে। এ ছাড়া সীমিত সংখ্যক অন্যান্য অপরাধও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু ব্যক্তি বা তাদের সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অধিকাংশ ঘটনাই জমি সংক্রান্ত বিরোধ, প্রতিবেশীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব,রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, চুরি, যৌন সহিংসতা কিংবা পূর্বশত্রুতার মতো অপরাধমূলক কারণ থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনো একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায় না । বরং এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগই প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। যদিও এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, তবুও মুসলিম,হিন্দু ও অন্যান্য সব নাগরিকের জন্য দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭