প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Feb 4, 2026 ইং
২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনছে সরকার

মরক্কো, সৌদি আরব ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে মোট ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৭০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৫ টাকা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর OCP Nutricrops এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন–এর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম পড়বে ৬৫১ মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া একই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির আরও দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রস্তাবে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩০ টাকা করে। প্রতি মেট্রিক টন টিএসপি সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের Ma’aden এবং বিএডিসির মধ্যে চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের প্রথম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরব থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩২৩ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম পড়বে ৬৬০ মার্কিন ডলার।
এদিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিনেটস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২০৫ কোটি ৩১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪১৮ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া একই অর্থবছরে দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৫৩ কোটি ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৫ টাকা। কাফকো থেকে প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের দাম পড়বে ৪১৫ দশমিক ৮৭৫ মার্কিন ডলার।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন বোরো ও অন্যান্য মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা নিশ্চিত করতে এবং সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এসব ক্রয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ ২৪৭