সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মীর শাহে আলম বলেন, পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন যে নির্বাচন কমিশন কয়েক ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে।

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। কিন্তু তফসিল নিয়ে সরকার কিছুই জানে না, পত্র যোগাযোগ বা অন্য কোনোভাবে নির্বাচন কমিশন সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।”

এ সময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আজকে আমি এতটুকুই বললাম, প্রশ্ন নেব না, প্রশ্ন নিলে প্যাঁচ লাগে।”

এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি জানান, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য ভোটের তারিখ ১২ নভেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর ভোট হতে পারে।

পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্যে চতুর্থ ধাপের সম্ভাব্য ভোট আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপে ২৭ মে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে পর্যায়ক্রমে এ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন।