রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজে গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জমির দখল-বেদখল সংক্রান্ত বিরোধ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
তবে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় কোনো চাঁদা দাবি করা হয়েছিল—এমন তথ্য পুলিশের কাছে নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাতে একটি দলবদ্ধ লোকজন এসে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার তিনজন হলেন-মামুন, আসলাম ও মুন্না। মামুনের বাড়ি গফরগাঁও এবং তিনি ভাসানটেক বস্তিতে থাকেন। আসলামের বাড়ি টাঙ্গাইল; তিনি অটোরিকশা চালান। মুন্নাও ভাসানটেক বস্তিতে থাকেন।
হামলার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহিদুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ ও আরও তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি একটি হাউজিং ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জমির দখল-বেদখল সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে। তবে কার সঙ্গে কার বিরোধ, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য পুলিশের কাছে বর্তমানে নেই।
তিনি বলেন, “কোনো চাঁদা বা কোনো কিছু নিয়ে আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে এমন তথ্য নেই। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এটি জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে বিবাদমান গ্রুপগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হতে পারে। তদন্ত সম্পন্ন হলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।”