সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হামলায় ঘাঁটির রানওয়ে ও কয়েকটি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এ হামলার পর নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে। সিরিয়া ও তুরস্ক উভয় দেশই ইসরাইলের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দামেস্ক বলেছে, এ হামলা সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।

ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন মার্কিন বিশেষ দূত টম ব্যারাক। তিনি ইসরাইলের এ পদক্ষেপকে ‘অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এমন সামরিক তৎপরতা অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

পরিস্থিতি যাতে সরাসরি সংঘাতে রূপ না নেয়, সে জন্য তুরস্ক, ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ভুল বোঝাবুঝি থেকে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘর্ষ ঠেকানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

অন্যদিকে ইসরাইলের দাবি, আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েনের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে সিরিয়া বিদ্যমান একটি নিরাপত্তা সমঝোতা ভঙ্গের দিকে এগোচ্ছিল। তবে এ বিষয়ে ইসরাইলের বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি তুরস্ক।

তুরস্ক হামলার নিন্দা জানালেও বিমানঘাঁটিতে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য দেয়নি। সিরিয়া বলেছে, তাদের ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলা গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি দেশের সার্বভৌম অধিকারের পরিপন্থী।

সূত্র: ডন ও রয়টার্স