দেশে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় জ্বালানি সংগ্রহে সাময়িক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে কিছুটা সময় লেগেছে। পাশাপাশি জ্বালানি কেনার পরও তা দেশে আনার ক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা, জ্বালানি আমদানির জটিলতা এবং এফএসআরইউতে (ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিট) অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনায় পরিস্থিতি কিছুটা কঠিন হয়েছিল।
তিনি বলেন, এসব সমস্যা কাটিয়ে বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহের লাইন স্বাভাবিক হয়েছে। দেশে জ্বালানি সঠিকভাবে আসছে। এ ধরনের সাময়িক সংকট বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, জনগণ আস্থা রেখে সরকারকে ভোট দিয়েছিল। তবে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি ও দুর্ঘটনার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে জ্বালানি দেশে আনা সম্ভব হয়েছে এবং সরবরাহের শিডিউলও নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেনি। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে বিকল্প উৎস খোঁজা হয়েছে এবং বেশি দাম দিয়েও গ্যাস আমদানি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সামনে কোনো সমস্যা তৈরি না হলে আগামী দিনগুলোতে জ্বালানি পরিস্থিতি ভালোভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কারণে দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।





