বিভিন্ন দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত চার মহানগর অভিমুখে লংমার্চ সফল করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ লক্ষ্যে ‘লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটি’ বৈঠক করে বিভিন্ন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন করেছে।
সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৈঠকে ঘোষিত লংমার্চগুলো শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়নে একাধিক কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বও নির্ধারণ করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও দেশবাসীকে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে গত ৬ আগস্ট রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদসহ ১১ দফা দাবিতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে চারটি লংমার্চের ঘোষণা দেয় ১১ দলীয় ঐক্য।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম, রংপুর ও খুলনা অভিমুখী কর্মসূচি সড়কপথে এবং সিলেট অভিমুখী লংমার্চ রেলপথে হওয়ার কথা রয়েছে। চারটি কর্মসূচি শেষে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন, উত্তরের সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের প্রতিনিধি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, সিলেট মহানগরী আমির মো. ফখরুল ইসলাম, বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আতিক এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।





