দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দায়ের করা হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রিটে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি হয়—এমনভাবে দুদক যেন কোনো প্রেস ব্রিফিং না করে, সে বিষয়ে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আসিফ মাহমুদকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুদককে জনসমক্ষে ভুল স্বীকার করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন যে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, রিটে ওই দুটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। একই সঙ্গে রুল চাওয়া হয়েছে—কেন ওই প্রেস ব্রিফিংকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে থাকা ব্যক্তির সম্মান ও সুনামের অধিকার এবং দুদকের ২০১১ সালের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার লঙ্ঘন ঘোষণা করা হবে না।

রিটে আরও বলা হয়েছে, যেভাবে দুদক সাংবাদিকদের ডেকে ব্রিফিং করেছে, একইভাবে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করে ভুল স্বীকার ও ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হোক।

এ ছাড়া রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ না করার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চাওয়া হয়েছে।