কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ঘটনার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার (৬ এপ্রিল) কুমিল্লার একটি আদালত এ অনুমতি দেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে আদালতের পদবিতে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম আদালতে আবেদন করে সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক জাহাঙ্গীর আলমের ডিএনএ প্রোফাইল তনুর পোশাকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার অনুমতি চান। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে ডিএনএ পরীক্ষা বা ক্রস-ম্যাচের অনুমতি দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তনু হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা উপস্থিত হয়ে তদন্ত-অগ্রগতির বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন দেন এবং এরপরই ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন।
এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে একটি ঝোপঝাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডি এবং পরে পিবিআই দীর্ঘ সময় তদন্ত করলেও মামলার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি।
আদালতে উপস্থিত তনুর বাবা ইয়ার আহম্মেদ বলেন, মেয়ের হত্যাকাণ্ডের ১০ বছর পার হলেও এখনো বিচার পাননি। তিনি নতুন সরকারের কাছে মৃত্যুর আগে এ হত্যার বিচার দেখে যেতে চান বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন