দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতীয় ওটিটি পরিসরেও আলোচনায় উঠে এসেছেন ঢাকার অভিনেতা আরিফিন শুভ। তার অভিনীত প্রথম বলিউডধর্মী সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’ ১৯ মার্চ সনি লিভে মুক্তির পর ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সিরিজটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও শুভর অভিনয় বারবার প্রশংসিত হয়েছে। সনি লিভের অফিসিয়াল তথ্যমতে, এটি ২০২৬ সালের বাংলা ভাষার ১ সিজনের ১০ পর্বের সিরিজ।
দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া তাদের পর্যালোচনায় সিরিজটির বেশ কিছু দুর্বলতার কথা বলেছে। তবে একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, জিমি রায়ের চরিত্র ও তার জ্যাজ ক্লাবকে ঘিরে সিরিজটি আলাদা নান্দনিকতা তৈরি করতে চেয়েছে। অন্যদিকে স্ক্রল তাদের রিভিউতে লিখেছে, আরিফিন শুভ জিমি চরিত্রের জন্য “smart choice” এবং তার উপস্থিতি সিরিজটি দেখার অন্যতম কারণ।
নিউজবাইটস-এর রিভিউতে শুভকে “biggest scene-stealer” বলা হয়েছে এবং তার উপস্থিতিকে শোটির বড় আকর্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এম৯ নিউজ বলেছে, তিনি চরিত্রটিকে আভিজাত্য ও স্টাইলিশ উপস্থিতি দিয়েছেন, যদিও তাদের মূল্যায়নে পরবর্তী অংশে চরিত্রের গভীরতায় আরও বেশি শক্তি দরকার ছিল।
টাইমস অব ইন্ডিয়া সিরিজটিকে ৩/৫ রেটিং দিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কিন্তু কিছু জায়গায় দীর্ঘায়িত বলে মন্তব্য করেছে। লেটেস্টলি-র সংকলিত রিভিউ প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ‘জ্যাজ সিটি’ সমালোচকদের কাছ থেকে mixed response পেয়েছে। অর্থাৎ সিরিজটির গ্রহণযোগ্যতা একরৈখিক নয়, তবে অভিনয়ের জায়গায় আরিফিন শুভর কাজকে একাধিক প্ল্যাটফর্ম গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে।
টিভি৯ বাংলা তাদের পর্যালোচনায় লিখেছে, এই চরিত্রের জন্য আরিফিন শুভকে তার অনুরাগীরা দীর্ঘদিন মনে রাখবেন। অমর উজালা-ও জিমি রায়ের চরিত্রে শুভর আত্মবিশ্বাস, আকর্ষণ ও অন্তর্দ্বন্দ্ব ফুটে ওঠার কথা বলেছে। এসব মূল্যায়ন থেকে বোঝা যায়, সিরিজটি নিয়ে মতভেদ থাকলেও আরিফিন শুভর অভিনয় ভারতীয় সমালোচকদের দৃষ্টি কেড়েছে।
সিরিজটির নির্মাতা সৌমিক সেন। সনি লিভ ও অন্যান্য রিভিউ সূত্রে জানা যায়, গল্পটি ১৯৭০-এর দশকের কলকাতা, এক জ্যাজ ক্লাব এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রেক্ষাপটকে ঘিরে আবর্তিত। এতে আরিফিন শুভর সঙ্গে সৌরসেনী মৈত্র, শান্তনু ঘটক, অনিরুদ্ধ গুপ্ত, সায়নদীপ সেন, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, শতাফ ফিগার ও আলেকজান্দ্রা টেলরসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন