ঢাকার শ্যামলীতে আলোচিত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে যুবদল পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর শুক্রবার গভীর রাতে হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা।
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালে যান। সেখানে তারা অধ্যাপক কামরুল ইসলামের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শুনেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেন।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদ প্রকাশিত হয়, যুবদল পরিচয়ে স্থানীয় মঈন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালটির কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেছেন। ওই খবর প্রকাশের পরই রাতের মধ্যে যুবদলের শীর্ষ নেতারা শ্যামলীর হাসপাতালে যান।
হাসপাতালে গিয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না জানতে চান, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না।
জবাবে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সে বলছে সে যুবদলের নেতা, কাউন্সিলর ইলেকশন করতে চায়। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’
পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি, ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন, এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কাউকে ছাড় দিই না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগের আমলে যেভাবে এ ধরনের ঘটনাগুলো অস্বীকার করা হয়েছে, আমরা তা করি না। আমরা আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দিয়েছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থাও নিয়েছি। কাউকে কাউকে পুলিশে ধরিয়েও দিয়েছি।’
পরে নয়ন র্যাবের এক কর্মকর্তাকে ফোন করে মঈন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানান।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন