দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম ওরফে গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।
অন্যদিকে নজরুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ওই সময় ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে সিআইডির সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে কিছু চিরকুটও উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহত মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
মামলা দায়েরের পর ওই রাতেই নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তদন্ত শুরু করে ডিবি। এ মামলায় তাকে দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
রিমান্ড শেষে সোমবার আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।





