সুনামগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদের বিরুদ্ধে ভুয়া মনোনয়ন দিয়ে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আমিনুল ইসলাম মিঠু দাবি করেন, মনোনয়ন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে ৬৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মোহাম্মদ কায়ছর ।
গত বছরের অক্টোবর মাসে কয়ছরের দেওয়া অ্যাকাউন্টে মিঠুর পক্ষ থেকে কয়েক দফায় মোট ৬৫ লাখ টাকা জমা দেওয়া হয়।চুক্তি মোতাবেক টাকা লেনদেনের জন্য আমিনুল ইসলাম মিঠুকে হোয়াটসঅ্যাপে দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠান কয়ছর আহমেদ।
আমিনুল ইসলাম মিঠুকে রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন কায়ছর আহমেদ। এক্ষেত্রে কায়ছর আহমেদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সাথে এই বিষয় নিয়ে কথা বলে তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করার আশ্বাস দেন ।
এছাড়া দলের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত হয়েছে মর্মে কিছু নথিপত্রও মিঠুকে পাঠান তিনি। সেসব নথিতে মিঠুর মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে বলে দেখানো হয়।কিন্তু সব ধরনের জাল কাগজের মাধ্যমে তার অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দবি করেন এই প্রবাসী।
মনোনয়ন না পাওয়ায় প্রবাসী আমিনুল টাকা ফেরত চায় কিন্তু কায়সর আহমেদ তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ নিয়ে আমিনুল ইসলাম মিঠু একাধিক বার ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দেন যেখানে তিনি কায়ছর আহমদকে ভুয়া মনোনয়নের জন্য দোষী দাবী করেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন