ঢাকা-১৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, স্বাভাবিক পরিবেশে ভোটগ্রহণ হলে ফলাফল যাই হোক তা তিনি মেনে নেবেন। একই সঙ্গে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শারীরিক শিক্ষা কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মামুনুল হক বলেন, “কৃত্রিম কোনো সংকট তৈরি না হলে, স্বাভাবিকভাবে ভোটগ্রহণ হলে এবং জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে ফলাফল মেনে নেব। তা সবারই মেনে নেওয়া উচিত।”
তবে রাত থেকেই কিছু অনিয়মের খবর পাওয়ার দাবি করে তিনি বলেন, বিষয়গুলো তারা সরাসরি যাচাই করতে পারেননি, তবে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে ডিএমপির মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা সাংবাদিকদের বলেন, কেন্দ্রে নিরাপত্তাজনিত কোনো সংকট নেই। তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
সকাল ৮টায় ভোট দিতে গিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তির মুখে পড়েন মামুনুল হক। প্রথমে তাকে দ্বিতীয় তলায় যেতে বলা হয়। পরে সেখানে গেলে তৃতীয় তলায় পাঠানো হয়। তৃতীয় তলায় যাওয়ার পর আবার দ্বিতীয় তলায় ফিরে যেতে বলা হয়। প্রায় আট মিনিট পর জানা যায়, প্রথমে যে কক্ষে তিনি গিয়েছিলেন সেখানেই তার ভোট। পরে সেখানেই ভোট প্রদান করেন তিনি।
এ ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটকক্ষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এমনটা হয়ে থাকতে পারে, এতে বড় কোনো সমস্যা হয়নি।
কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকালে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
ভোটারদের অভিজ্ঞতায়ও ভিন্নতা দেখা গেছে। কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের বাসিন্দা ও একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কর্মী আব্দুল মজিদ বলেন, তিনি নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছেন। তবে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ায় প্রায় ১৫ মিনিট সময় লেগেছে।
অন্যদিকে ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ জানান, তার ভোট দিতে প্রায় পাঁচ মিনিট সময় লেগেছে। দুই ধরনের ভোট একসঙ্গে হওয়ায় কিছুটা সময় বেশি লাগলেও কোনো সমস্যা হয়নি।
সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চললেও সকাল থেকে কয়েকটি দলের পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে দেখা যায়নি বলে জানা গেছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন