যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর আগে সর্বশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ্যে ভাষণ দেন তিনি। ওই ভাষণে ইরানের প্রতিরোধক্ষমতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন খামেনি।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে জেনেভায় পরোক্ষ আলোচনা শুরুর প্রেক্ষাপটে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র থাকা অপরিহার্য। খামেনির ভাষায়, “আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র থাকতে হবে। কোনো দেশের কাছে প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র না থাকলে শত্রুরা তাকে পায়ের নিচে পিষে ফেলবে।”
তিনি আরও বলেন, প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র জাতির প্রয়োজনীয়তার অংশ। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে খামেনি মন্তব্য করেন, “আমেরিকানরা অযথাই বলছে—তোমরা অমুক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রাখতে পারবে, অমুক পাল্লার বেশি নয়। এর সঙ্গে তাদের কী সম্পর্ক? এটি ইরানি জাতির বিষয়।”
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রায়ই দাবি করেন তাদের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী। তবে খামেনির দাবি, “সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনীও কখনো এমন চড় খেতে পারে যে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।”
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন