ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে সন্দেহের জেরে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ব্যক্তি স্থানীয় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত) একজন সদস্যের ভাই বলে জানা গেছে।
এর জেরে শনিবার সকালে বোয়ালিয়া গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমানের সমর্থকদের সঙ্গে স্থানীয় চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে এবং তিনজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, যেকোনো সময় আবারও বড় ধরনের সহিংসতা ঘটতে পারে।
সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান দাবি করেন, এটি কোনো রাজনৈতিক ঘটনা নয়; স্থানীয় বিরোধ ও মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা।
হরিণাকুন্ডু থানার পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন