রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সংঘটিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ওপর সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের দায়মুক্তি প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করেছেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক।
তার দাবি, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিসহ রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের বিভিন্ন অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ-মিছিলের আগে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকাকালে তাকে কোনো ফৌজদারি মামলায় আসামি বা গ্রেপ্তার করা যায় না। তবে ২০১৭ সালে এস আলমের মালিকানাধীন জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পাওয়ার পর সাহাবুদ্দিন শেয়ার কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব অভিযোগ রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের। তাই সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি দায়মুক্তি পেতে পারেন না।
নুরুন্নবী মানিক আরও দাবি করেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়িত্ব পালনকালে মো. সাহাবুদ্দিন তৎকালীন সরকারকে বিভিন্ন অবৈধ সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন এবং নিজেও সুবিধা নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সংঘটিত অভিযোগগুলো ফৌজদারি মামলার আওতায় এনে তার বিচার করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
সমাবেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা বলেন, তাদের পূর্বঘোষিত সাত দফা দাবির অন্যতম ছিল ব্যাংকটিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পরিষদ গঠন। বাংলাদেশ ব্যাংকের আশ্বাসের কারণে তারা এতদিন অপেক্ষা করেছেন।
তারা বলেন, পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পরিষদ গঠন না হলে গ্রাহকদের আস্থা ফিরবে না এবং স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাহত হবে। তাই দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন