এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শিক্ষক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন। তবে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদ এখনও শূন্য রয়ে গেছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বুধবার দুপুরে এই সপ্তম বা বিশেষ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফল প্রকাশ করেছে।
সংস্থার শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান শাখার সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদ বাংলাদেশ ২৪৭ ডটকমকে বলেন, মোট ১৮ হাজার ৩৯৯ জন আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত ১ হাজার ২৭ জনের আবেদন বাদ দেওয়া হয়েছে।''কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইতোমধ্যে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সমপদে আবেদনের যোগ্য হবেন না। বাকি ১৭ হাজার ৩৭২ জন বৈধ প্রার্থী ছিলেন। সব প্রক্রিয়া সেরে ১১ হাজার ৭১৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।'' ৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে এ কর্মকর্তা বলেন, "শূন্যপদের বিপরীতে একই বিষয়ে নিবন্ধিত প্রার্থী বা আবেদনকারী না থাকায় এ পদগুলো খালি রয়ে গেছে।"
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, এবার সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে স্কুল-কলেজে ৫ হাজার ৭৪২ জন, মাদ্রাসায় ৪ হাজার ২৫৫ জন, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৫৪ জন, কারিগরি বিষয় চালু থাকা সাধারণ স্কুলে ১ হাজার ১৫৫ জন এবং কারিগরি বিষয় চালু থাকা মাদ্রাসায় ২০৭ জন প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশ পেয়েছেন।
সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা এনটিআরসি ওয়েবসাইটে (www.ntrca.gov.bd) '৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)- ২০২৬' সেবা বক্সে এবং http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে পাওয়া যাবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফলাফল দেখতে পারবেন। একইভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও তাদের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রার্থীদের তথ্য দেখতে পাবেন। এছাড়া নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএমএস পাঠিয়ে সুপারিশ পাওয়ার খবর জানাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক।
এমপিওভুক্ত স্কুল কলেজের ২৯ হাজার ৫৭১টি, মাদ্রাসার ৩৬ হাজার ৮০৪টি এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮৩৩টি পদে নিয়োগে গত ৬ জানুয়ারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ, যাকে 'সপ্তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬' বলা হচ্ছে।
শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ থেকে তিন বছর। মেয়াদ থাকা নিবন্ধন সনদধারী প্রার্থীদের মধ্যে যাদের বয়স ৩৫ বছরের কম, তারা এবার আবেদন করতে পেরেছিলেন। আবেদন ফরম পূরণের সময়ই প্রার্থীদের পুলিশ-ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করিয়ে নিয়েছিল এনটিআরসিএ।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন