বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ৪১৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৮৬ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। এতে ২৭ রানের লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। টাইগার স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের ফাইফারে ম্যাচে এগিয়ে রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
শেষ বিকেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১.৫ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭ রান তোলে বাংলাদেশ। ফলে দিন শেষে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩৪ রানে।
অভিষিক্ত ওপেনার আজান ৮৫ রানে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শুরু করেন। ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ১৫৩ বলে ১৪ চারে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন এই ব্যাটার। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আজান। তাসকিন আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে ১৬৫ বলে ১৪ চারে ১০৩ রান করেন তিনি।
এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শান মাসুদ ৯ রানে ফেরেন। সৌদ শাকিল কোনো রান করতে পারেননি। তাসকিন ও মিরাজের আঘাতে ১ উইকেটে ২১০ রান থেকে ২৩০ রানে ৫ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
তবে ষষ্ঠ উইকেটে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে ফেরান সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজন মিলে গড়েন ১১৯ রানের জুটি। রিজওয়ান ৫৯ এবং সালমান ৫৮ রান করেন।
শেষদিকে মিরাজের ঘূর্ণিতে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ইনিংস। ৩৮ ওভারে ১০২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন এই অফস্পিনার। তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট।
এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দাপট দেখান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম। শান্ত করেন ১০১ রান। মুমিনুল ৯১ এবং মুশফিক করেন ৭১ রান। তাদের ব্যাটে ভর করে ৪১৩ রান তোলে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেন মোহাম্মদ আব্বাস।
ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে দুই দলই নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মিরাজের স্পিন আক্রমণে এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ রান, কোনো উইকেট না হারিয়ে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন