গাজায় হামাসের শীর্ষ সামরিক নেতা ইজ্জ আদ-দীন আল-হাদ্দাদকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় তিনি নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লার বরাতে প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী হত্যাচেষ্টা সফল হয়েছে। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বা আইডিএফ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আইডিএফের সাউদার্ন কমান্ড ও সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে বিমান হামলাটি চালানো হয়। ইসরায়েলের দাবি, কয়েক বছরের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে হাদ্দাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছিল।
হামলার আগে হামাসকে বিভ্রান্ত করতে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী একটি গোপন অভিযান চালায় বলে জানানো হয়েছে। এরপর স্থল, নৌ ও আকাশপথে সেনাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইজ্জ আদ-দীন আল-হাদ্দাদকে হামাসের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইসরায়েলের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে জড়িত গাজায় অবস্থানরত শেষ শীর্ষ নেতাদের একজন ছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তিনি সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
ইসরায়েলের অভিযোগ, যুদ্ধ চলাকালে হাদ্দাদ নিয়মিত অবস্থান পরিবর্তন করতেন এবং আইডিএফের হামলা এড়াতে জিম্মিদের আশপাশে রাখতেন। তার নেতৃত্বে হামাস জিম্মিদের হত্যা, নির্যাতন ও অনাহারে রাখার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তেলআবিব।
নেতানিয়াহু ও কাটজের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দেরিতে হলেও ইসরায়েল তাদের খুঁজে বের করবে।”
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন