বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণার এক দিনের মাথায় নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসতে পারে। আবাসিকের লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের বাড়তি দাম প্রত্যাহারের আবেদন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে এ আবেদন করা হয়েছে। কমিশন সব বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, সব কোম্পানির পক্ষ থেকে দুই শ্রেণির দাম প্রত্যাহারের আবেদন করেছে পিডিবি। বিষয়টি কমিশন বিবেচনায় নিয়েছে। এখন আলাদা করে সব কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
গতকাল বুধবার পাইকারি ও খুচরা- দুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম জুন থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা।
নতুন দর অনুযায়ী, আবাসিকের লাইফলাইন শ্রেণির গ্রাহকদের, অর্থাৎ মাসে সর্বোচ্চ ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের প্রতি ইউনিট দাম নির্ধারণ করা হয় ৫ টাকা ৩২ পয়সা। এতে ইউনিটপ্রতি দাম বাড়ে ৬৯ পয়সা এবং মাসিক বিল বাড়ার কথা ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা।
অন্যদিকে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারী প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয় ৬ টাকা ১৮ পয়সা। এই শ্রেণিতে ইউনিটপ্রতি দাম বাড়ে ৯২ পয়সা এবং মাসিক বিল বাড়ার কথা ৬৯ টাকা।
এই দুই শ্রেণির গ্রাহক সাধারণত নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হিসেবে বিবেচিত। মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশ এই দুই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
দাম সংশোধন করা হলে লাইফলাইন শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য আগের ইউনিটপ্রতি দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং প্রথম ধাপের ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য আগের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সাই বহাল থাকতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন