কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন, প্রণোদনা, ভর্তুকি ও বাজার ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হবে।
শনিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বিশ্বাস করে কৃষক অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলে জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিকল্পিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
কৃষি খাতের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কৃষি ঋণ মওকুফ, খাল পুনঃখনন এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ চলছে। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে দেশের সব কৃষককে ধাপে ধাপে একটি ডিজিটাল ডাটাবেজের আওতায় আনা হবে, যা থেকে সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকি সরাসরি প্রদান করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উর্বর মাটি ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করা হবে। কৃষকের সমৃদ্ধিই দেশের সমৃদ্ধির ভিত্তি—এই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, কৃষি ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন