মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার শিকার ও শহীদদের তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে রাজনীতি যুক্ত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার পর যাঁদের ওপর তালিকা তৈরির দায়িত্ব ছিল, তাঁরা নিরপেক্ষ ও সঠিকভাবে কাজটি করেননি। এ কারণে একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়নে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়।
পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলালের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে।
এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা এবং একটি বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।
তারেক রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। তবে স্বাধীনতার এত বছর পরও তাঁদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সরকারের উদ্যোগের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার ও শহীদদের একটি নির্ভুল এবং গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।
একই সঙ্গে তাঁদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন