নামটা কিছুটা অদ্ভুত_‘ডেউয়া’। দেখতে ছোট আকারের কাঁঠালের মতো হলেও স্বাদে এটি আলাদা। টক-মিষ্টি স্বাদের এই দেশীয় ফল সাধারণত বর্ষাকালে পাওয়া যায়। কাঁচা অবস্থায় ডেউয়া সবুজ এবং পাকলে হলুদ রঙ ধারণ করে।
দামে তুলনামূলক সস্তা হলেও পুষ্টিগুণে ডেউয়া বেশ সমৃদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফলে জিঙ্ক, কপার, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। এতে অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যও পাওয়া যায়। তবে ডেউয়া ফল বা বীজ অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।
লিভার ভালো রাখতে সহায়ক
ডেউয়ায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান লিভার সুস্থ রাখতে সহায়তা করতে পারে। ফলটি কাঁচা ও পাকা—দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়।
রক্তস্বল্পতায় উপকারী হতে পারে
ডেউয়া ফলে থাকা আয়রন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। এ ছাড়া এর পুষ্টিগুণ রক্ত পরিশোধনেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হয়।
ত্বকের যত্নে সহায়ক
ডেউয়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল। এটি ত্বক সতেজ রাখতে এবং বয়সের ছাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। ডেউয়া গাছের ছালও ত্বকের যত্নে লোকজভাবে ব্যবহার করা হয়।
পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে
ডেউয়ায় থাকা ফাইবার বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে। ডেউয়ার শুকনো বীজ গুঁড়া করেও অনেকে পেটের সমস্যা কমাতে ব্যবহার করেন।
মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক
ডেউয়া ফলে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরে রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। ফলে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন