দেশের জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে আরও তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এসব এলএনজি কিনতে ব্যয় হবে ২ হাজার ১১২ কোটি টাকা।
বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২৭তম সভায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব আংশিক অনুমোদন পেয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তবে প্রস্তাবের কোন অংশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভাইটল এশিয়া ও অ্যারামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর একটি করে মোট দুই কার্গো এলএনজি সরবরাহ করবে। তৃতীয় কার্গোটি সরবরাহ করবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড।
নতুন তিন কার্গো এলএনজি আমদানিতে যে ব্যয় ধরা হয়েছে, তা চলতি ও গত মাসে কেনা সমপরিমাণ এলএনজির তুলনায় কিছুটা কম।
এর আগে ৩ জুন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির সভায় বিপি সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই তিন কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা।
মে মাসের শেষ দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে দুই কার্গো এবং টোটালএনার্জিস থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৩৩০ কোটি ৮১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩২ টাকা।
এর আগে ৭ মে অনুষ্ঠিত কমিটির ২০তম সভায় ভাইটল এশিয়া, বিপি সিঙ্গাপুর ও গানভর সিঙ্গাপুর থেকে তিন কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ওই চালানের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ২২২ টাকা।
বুধবারের সভায় এলএনজির পাশাপাশি ১৫ হাজার টন রক সালফার এবং ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির কয়েকটি প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন