সর্বশেষ
জুলাইয়ে জাপানের সাথে চুক্তির সম্ভাবনা, ১৬ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, জিরো লাইনে আটকা ১২ জন ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫ অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ক্ষমতায় থাকার যৌক্তিকতা নেই: শফিকুর রহমান আকস্মিক হাসপাতালে এমপি হাসনাত, ৫ চিকিৎসককে শোকজ এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে সিডিপির ইতিবাচক অবস্থান নাটক ‘হেলমেট বাহিনী’ নিয়ে লীগের হুমকি,বান্নাহ বললেন ‘থোড়াই কেয়ার’ ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহের মধ্যে সমঝোতার আশা ট্রাম্পের ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের স্ত্রী ঋণ খেলাপি: বাংলাদেশ ব্যাংক এআই ট্রাফিক নজরদারি ফাঁকি দিলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৯৪ এলপি গ্যাসের দাম কমেছে ৫৫ টাকা,দুই দফায় বেড়েছিল ৫৯৯ টাকা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ভোট আজ, লড়ছেন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার অগ্রগতিতে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার বড় হামলায় নিহত ১০ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি গ্রাহক ফোরামের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের জোরালো ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিন্ডিকেটমুক্ত করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জর্ডানের কাছ থেকে আল-আকসা মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পাঁয়তারা ইসরায়েলের শার্শায় বালু কেনাবেচার বিরোধে পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগ ইসলামী ব্যাংকের সামনে আজও জমায়েত ও মানববন্ধন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর ব্যতিক্রমী রিভিউ রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন বাবা, চাইলেন ন্যায়বিচার ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯৪ হাজার কোটি টাকা মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে যৌথ মাদকবিরোধী অভিযান তারেক রহমানকে নিয়ে সমালোচনা , সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি নেতাকে শোকজ মিয়ানমারে বিস্ফোরণে ৪৬ জন নিহত, আহত ৭০-এর বেশি বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ল অজ্ঞাত সামুদ্রিক যন্ত্র এবার মোদিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে রাজপথের ঘোষণা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র মে মাসে এলো দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে সরানো হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক কবিতা, সাহিত্য আর পরিবারের গল্পে উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’ রামিসার অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন ডা. শফিকুর রহমান নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ কুমিল্লা জেলা পরিষদের বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিলেন হাসনাত রংপুরে মদপানে তিনজনের মৃত্যু, একজন হাসপাতালে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী যশোর সীমান্তে ১১০ জনকে পুশইন চেষ্টা, ঠেকিয়ে দিল বিজিবি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াতের উদ্বেগ পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্ত্রীর বিচার শুরু কেরানীগঞ্জে ডিসিআইয়ের সান চাইল্ড স্পন্সরশিপ প্রোগ্রাম পরিদর্শন করলেন ড. এহসান হক ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক-শেয়ারহোল্ডারদের মানববন্ধনে পুলিশের বাধা, আহত শতাধিক সাইপ্রাসে এস আলম ও স্ত্রীর নামে থাকা সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অবক্ষয় ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ইদ উপলক্ষে এস এম রোবায়েতের উপহার বিতরণ
জুলাইয়ে জাপানের সাথে চুক্তির সম্ভাবনা, ১৬ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, জিরো লাইনে আটকা ১২ জন ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫ অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ক্ষমতায় থাকার যৌক্তিকতা নেই: শফিকুর রহমান আকস্মিক হাসপাতালে এমপি হাসনাত, ৫ চিকিৎসককে শোকজ এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে সিডিপির ইতিবাচক অবস্থান নাটক ‘হেলমেট বাহিনী’ নিয়ে লীগের হুমকি,বান্নাহ বললেন ‘থোড়াই কেয়ার’ ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহের মধ্যে সমঝোতার আশা ট্রাম্পের ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের স্ত্রী ঋণ খেলাপি: বাংলাদেশ ব্যাংক এআই ট্রাফিক নজরদারি ফাঁকি দিলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৯৪ এলপি গ্যাসের দাম কমেছে ৫৫ টাকা,দুই দফায় বেড়েছিল ৫৯৯ টাকা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ভোট আজ, লড়ছেন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার অগ্রগতিতে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার বড় হামলায় নিহত ১০ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি গ্রাহক ফোরামের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের জোরালো ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিন্ডিকেটমুক্ত করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জর্ডানের কাছ থেকে আল-আকসা মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পাঁয়তারা ইসরায়েলের শার্শায় বালু কেনাবেচার বিরোধে পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগ ইসলামী ব্যাংকের সামনে আজও জমায়েত ও মানববন্ধন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর ব্যতিক্রমী রিভিউ রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন বাবা, চাইলেন ন্যায়বিচার ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯৪ হাজার কোটি টাকা মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে যৌথ মাদকবিরোধী অভিযান তারেক রহমানকে নিয়ে সমালোচনা , সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি নেতাকে শোকজ মিয়ানমারে বিস্ফোরণে ৪৬ জন নিহত, আহত ৭০-এর বেশি বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ল অজ্ঞাত সামুদ্রিক যন্ত্র এবার মোদিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে রাজপথের ঘোষণা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র মে মাসে এলো দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে সরানো হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক কবিতা, সাহিত্য আর পরিবারের গল্পে উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’ রামিসার অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন ডা. শফিকুর রহমান নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ কুমিল্লা জেলা পরিষদের বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিলেন হাসনাত রংপুরে মদপানে তিনজনের মৃত্যু, একজন হাসপাতালে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী যশোর সীমান্তে ১১০ জনকে পুশইন চেষ্টা, ঠেকিয়ে দিল বিজিবি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াতের উদ্বেগ পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্ত্রীর বিচার শুরু কেরানীগঞ্জে ডিসিআইয়ের সান চাইল্ড স্পন্সরশিপ প্রোগ্রাম পরিদর্শন করলেন ড. এহসান হক ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক-শেয়ারহোল্ডারদের মানববন্ধনে পুলিশের বাধা, আহত শতাধিক সাইপ্রাসে এস আলম ও স্ত্রীর নামে থাকা সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অবক্ষয় ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ইদ উপলক্ষে এস এম রোবায়েতের উপহার বিতরণ
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
প্রকাশ : ০২:৫৪ দুপুর, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং

বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে এবার ১৫ শতাংশ করা কথা বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তার বৈশ্বিক শুল্ক নীতিকে অবৈধ ঘোষণার পর তিনি ওই রায়ের সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন।

এর আগে শুক্রবার তিনি আদালত কর্তৃক বাতিল হওয়া শুল্কের জায়গায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছিলেন।

তবে শনিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি বলেছেন, আগে কখনো ব্যবহার হয়নি - এমন একটি আইনের অধীনে তিনি এ শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করবেন।

এই আইনে বলা আছে, নতুন এই কর প্রায় পাঁচ মাস পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। এরপর এটি চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৪শে ফেব্রুয়ারি) থেকেই তার ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা। এখন সেটি যদি ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হয় তাহলে তা কখন থেকে কার্যকর হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

বিবিসি এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের সাথে যোগাযোগ করেছে।

১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২-এর অধীনে নতুন করে ১৫ শতাংশ কর আরোপের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ কিছু দেশের জন্য প্রশ্ন তৈরি করেছে। 

কারণ এসব দেশ আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ শতাংশ শুল্ক চুক্তি করেছিল।

ট্রাম্প বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের 'হাস্যকর, দুর্বল লেখা ও শুল্ক বিষয়ে অত্যন্ত আমেরিকা বিরোধী' রায় পর্যালোচনার পর তার প্রশাসন শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তে এসেছে।

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোট রায় দিয়েছিলেন যে ১৯৭৭ সালের একটি আইন, যার নাম ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট বা আইইইপিএ, সেটি ব্যবহার করে গত বছর ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছিলেন।

দেশটির সর্বশেষ সরকারি অনুযায়ী, আইনটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে কমপক্ষে ১৩০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আদায় করেছে। 

সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরপরই বলেছেন 'তিনি আদালতের কিছু সদস্যের জন্য লজ্জিত' এবং যারা তার বাণিজ্য নীতি প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের 'বোকা' বলে অভিহিত করেন।

শুল্ক বাতিলের সিদ্ধান্তটি এসেছে তিনজন উদারপন্থী বিচারকের কাছ থেকে। এদের মধ্যে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ মনোনীত আর দুই বিচারক আমি কোনে ব্যারেট ও নেইল গরসাচকে ট্রাম্পই মনোনয়ন দিয়েছিলেন।

আর রায়ের বিরোধিতা করেছেন তিনজন রক্ষণশীল বিচারপতি- ক্লেয়ারেন্স থমাস, ব্রেট কাভানাফ ও স্যামুয়েল আলিতো।

ট্রাম্পের শুল্ক নীতি তার অর্থনৈতিক নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করবে।

তবে সর্বোচ্চ আদালতের রায় তার ক্ষমতার ওপর বড় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে এবং তার দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনায় এটি বড় ধাক্কা দিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুক্তি হলো বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে শুল্ক দরকার। কিন্তু এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে-২০২৪ সালের তুলনায় দুই দশমিক এক শতাংশ বেড়ে প্রায় এক দশমিক দুই ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বাল্টিমোরের একটি ইস্পাত কারখানার মালিক ড্রু গ্রিনব্লাট বিবিসিকে বলেছেন , সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে তিনি "খুবই হতাশ"।
 তার মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্র মানুষদের ভালো উৎপাদন খাতে চাকরি পেয়ে মধ্যবিত্ত পর্যায়ে উন্নীত হবার সুযোগ কমে যাবে।

অন্যদিকে, ভার্জিনিয়ার সয়াবিন চাষি ও ন্যাশনাল ব্ল্যাক ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা জন বয়েড বলেন, "এটি আমার জন্য বড় জয় এবং প্রেসিডেন্টের জন্য বড় পরাজয়। যেভাবেই দেখা হোক না কেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখানে হেরেছেন।"

যুক্তরাজ্য সরকারের সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা ও এসইসি নিউগেটের পরিচালক অ্যালি রেনিসন বলেন, "এটি মুক্ত বাণিজ্যের জন্য ভালো দিন মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে বাণিজ্য আরও জটিল হয়ে গেছে বলে আমি মনে করি।"

তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এখন শুল্ক নীতি আরও জটিল আকার নিচ্ছে।

১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা অধিকাংশ পণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ধাতু ও ঔষধের মতো কিছু পণ্য এই শুল্ক থেকে ছাড় পাবে।

অন্যদিকে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, কাঠ ও গাড়ির ওপর আলাদা আইনের মাধ্যমে আরোপিত শুল্ক বহাল থাকবে; সেগুলো আদালতের রায়ে প্রভাবিত হয়নি।

হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাজ্যসহ যেসব দেশ আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তারাও সেকশন ১২২-এর অধীনে বৈশ্বিক শুল্কের মুখোমুখি হবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য চুক্তি জুড়ে থাকা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, ওষুধ, গাড়ি ও বিমান খাত- আগের চুক্তির আওতায়ই থাকবে।

যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে, তারা আশা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের "বিশেষ বাণিজ্যিক অবস্থান" বজায় থাকবে।
 
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে জার্মানির চ্যান্সেলর বলেছেন শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা 'বিষের' মতো।

"ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় বিষ হলো এই অব্যাহত অনিশ্চয়তা। এই অনিশ্চয়তার অবসান হওয়া উচিত," বলেছেন তিনি।

ওদিকে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বেআইনি শুল্কের টাকা ফেরত চাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে আদালত সরাসরি সিদ্ধান্ত দেয়নি যে, এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না।

শুক্রবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আইনি লড়াই ছাড়া কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হবে না এবং তার দাবি, এই প্রক্রিয়া কয়েক বছর পর্যন্ত চলতে পারে।

যদিও ইতোমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি ও বাণিজ্য সংগঠন জানিয়েছে, তারা অর্থ ফেরতের জন্য দাবি তুলবে।


মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!

আপনার মতামত দিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আজ ইসিতে আপিল করবেন মনিরা শারমিন

1

পুরান ঢাকায় সাকরাইনে ঘুড়ি উৎসব

2

কক্সবাজারে পৃথক অভিযানে ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

3

ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতিতে ৯৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারে ৬ কোটি

4

রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন

5

বগুড়ায় ট্রাক ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা

6

ঝালকাঠিতে জামায়াতের কার্যালয়ে আগুন, পরিকল্পিত নাশকতার অভিযোগ

7

দীর্ঘ অপেক্ষার স্বর্ণখচিত ‘ট্রাম্প ফোন’ আসছে চলতি সপ্তাহে

8

মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

9

স্থানীয় নির্বাচনে কোনো রক্তপাত দেখতে চাই না: সিইসি

10

ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির 'টাকার ব্যাগ'সহ আটক

11

বাংলাদেশে এমপি ও মন্ত্রীরা কি ধরনের সুযোগ-সুবিধা পান?

12

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হলেন মামুন শিবলী

13

রামিসার অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন ডা. শফিকুর রহমান

14

হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

15

ঘুষ কাণ্ডে পদত্যাগী প্রসিকিউটরের নথি জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠনের

16

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

17

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৯৪

18

প্রথমবার সংসদে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন

19

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় কি ‘ইচ্ছাকৃত অবহেলা’ ছিল ?

20