আমলাতন্ত্রকে ঠিক করার মাধ্যমে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর বনানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘দ্য কম্পাস ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংলাপটির আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)।
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়নে একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।
বিনিয়োগ পরিবেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় সমস্যা হলো সরকারি সংস্থাগুলোর ধীরগতি। বিনিয়োগকারীরা যে গতিতে সমাধান চান, অনেক সময় তা না হওয়ায় নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং তারা হতাশ হন।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের আমলাতন্ত্রকে ঠিক করার মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে। এখানে ব্যবসা করার পরিবেশ খুব একটা ভালো না। আমরা এটাকে ভালো করার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী এবং প্রতিদিনই এ নিয়ে আলোচনা করছেন। প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন।”
জ্বালানি খাতকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগোতে চায়। বিশেষ করে সোলার এনার্জির ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি গ্যাস ও তেল উত্তোলনের কাজও শুরু হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে টেন্ডারে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে কাজে লাগাতে হবে। অতীতের রাজনৈতিক সমস্যাগুলো পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা না গেলেও পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ইতিবাচক। দেশে স্থিতিশীলতা আনা গেলে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হবে।
এ সময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন মির্জা ফখরুল। রোহিঙ্গা ইস্যুকে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার এ সমস্যার সমাধান চায়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন