বিএনপির নবনির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় প্রথমে বেঁকে বসলেও শেষ পর্যন্ত শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও তাদের শরীক ১১ দলের সদস্যরা।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসাবের শপথ নেন জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিতরা।
এর আগে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির এমপিদের শপথের সময় উপস্থিত হতে না পারা ইশরাক হোসেনও দ্বিতীয় দফায় অন্যদের সঙ্গে শপথ নেন।
জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান, এটিএম আজহার, নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান ও আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এবং স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত রুমিন ফারহানাকে দেখা গেছে।
তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। শপথ নেওয়ার পর শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করেন নবনির্বাচিত সদস্যরা।
এরপর শুরু হয় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ পর্ব। এ দফায় শপথ পাঠ না করেই শপথ কক্ষ ত্যাগ করেন স্বতন্ত্র রুমিন ফারহানা ও বিএনপির ইশরাক হোসেন।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে নির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ করেন ১২টা ২৭ মিনিট।
দেশের আইনসভার সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনের শপথ নেন আগের সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে। তবে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে নেই, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু হত্যা মামলায় কারাগারে।
সে কারণে নতুন এমপিরা এবার শপথ নেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে।
বিএনপির নবনির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর মত তাদের জোট শরিক এনসিপিও বেঁকে বসেছিল। শেষ পর্যন্ত তারাও শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বচিত এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনকে উদ্ধৃত করে দলের মিডিয়া গ্রুপে বলা হয়, ''জনগণ জুলাইয়ের আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য আমাদেরকে ম্যান্ডেট দিয়েছে, এজন্য আমরা দুটি শপথই নিচ্ছি।
বিএনপি ক্ষমতামুখী দল হিসেবে শুধু সরকার গঠনের শপথ নিয়ে গণরায় উপেক্ষা করেছে।''
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!
আপনার মতামত দিন